1. dipanchalbarguna@gmail.com : dipanchalAd :
বেতাগীর পুলের হাট—জলিশা বাজার এলাকার প্রায় ৫ কিলোমিটার সড়ক চলাচলে জনগনের ভোগান্তি - dipanchalnews
সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন

বেতাগীর পুলের হাট—জলিশা বাজার এলাকার প্রায় ৫ কিলোমিটার সড়ক চলাচলে জনগনের ভোগান্তি

  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ২২ অক্টোবর, ২০২১
  • ৬৫ বার নিউজটি দেখা হয়েছে

বেতাগী প্রতিনিধি : বরগুনার বেতাগী উপজেলার পুলের হাট—জলিশা বাজার এলাকার প্রায় ৫ কিলোমিটার সড়ক চলাচলে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। রাস্তায় নিম্নমানের নির্মান সামগ্রী দিয়ে কাজ করায় ৫ কিলোমিটার রাস্তায় ছোটবড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাফেরা করছে যানবাহন ও পথচারীরা। ছোটবড় গর্তে সড়কটি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। এতে যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন চালক ও পথচারীরা। সড়ে জমিনে দেখা গেছে— বেতাগী উপজেলার পোলেরহাট বাজার থেকে বাসন্ডা হয়ে জলিশা বাজার পর্যন্ত চলে গেছে সড়কটি। বেতাগী শহর থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে জলিশা বাজার। এটি এ উপজেলার মধ্যে একটি অন্যতম বাজার। পাশাপাশি সপ্তাহে দুই দিন এখানে হাট বসে। জলিশা বাজার সংলগ্ন এলাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, ডিগ্রি কলেজসহ কৃষি ব্যাংকের শাখা রয়েছে। নানা দিক থেকে জলিশা বাজারে বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের কাছে গুরুত্ব বহন করে। বেহাল সড়কের অনেকটা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সেখানকার লোকজন।

সরেজমিনে দেখা গেছে—রাস্তাটির পোলের হাট, বাসন্ডা, গোয়াল বাড়ি, জলিশা বাজার এলাকার অধিকাংশ স্থানেই খোয়া—পাথর উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সড়কের একপাশ দিয়ে চলছে ছোট যানবাহন। বৃষ্টি হলে গর্তে পানি জমে পুকুরের মতো তৈরি হয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় চলাচল করা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। জলিশা বাজার এলাকার বাসিন্দারা বলেন— জলিশা বাজার থেকে পোলের হাট বাজার সড়কের খুবই নাকাল অবস্থা। এ সড়কটি সংস্কারের অভাবে একেবারে নষ্ট হয়ে গেছে। ৫ কিলোমিটার সড়কে ছোটবড় হাজার হাজার গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সড়কটি দিয়ে যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা পায়ে হেঁটে চলা এখন কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।

অটোচালকরা জানান— সড়কে দশ মিনিটের পথ এখন আধা ঘণ্টায় যেতে হয়। প্রায়ই এ সড়ক পার হতে গাড়ি বিকল হয়ে যায়। গাড়ির যন্ত্রাংশও ক্ষতি গ্রস্থ হয়। হোসনাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান মো. খলিলুর রহমান খান বলেন— গর্ত সৃষ্টি হয়ে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে গেছে। ইউনিয়ন পরিষদের এ ধরনের সড়ক সংস্কারের জন্য কোনো অর্থ বরাদ্দ থাকে না। আমি ব্যক্তিগত অর্থায়নে কয়েকটি গর্ত সংস্কার করেছি। বাকি গর্তগুলো শিগগিরই সংস্কার করা হবে। বেতাগী উপজেলা প্রকৌশলী শিপলু কর্মকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় এ বিষয়ে তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুণ :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর :
© All rights reserved © 2020 The Daily Dipanchal
Customized By BlogTheme