1. dipanchalbarguna@gmail.com : dipanchalAd :
স্ত্রী চলে যাওয়ায় ভারসাম্যহীন ৫ বছর ধরে শিকলবন্দী বরগুনার তুহিন - dipanchalnews
শুক্রবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:১৯ অপরাহ্ন
শীর্ষ সংবাদ :
মানবতার ফেরিওয়ালার আরেক নাম সুমন রায় বেতাগীতে ৩০ হাজার বাসিন্দার মধ্যে ২০ হাজারের জন্মসনদই ভুল! টিকা নিতে এসে দুর্ভোগে বরগুনার শিক্ষার্থীরা ২য় দিনে অসুস্থ ১৩ বরগুনায় করোনা টিকায় অসুস্থ হয়ে ১৮ শিক্ষার্থী হাসপাতালে ছেলের লাশ পায়খানায় মাটিচাপা দিয়ে ভোটের প্রচারে ব্যস্ত বাবা—মা! গ্রামের বাড়ীতে চলছে মৃত মায়ের দাফনের প্রস্তুতি ঢাকার একটি হাসপাতালে চলছে সন্তানের অপারেশন ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন বাংলাদেশ বরগুনা পৌর কমিটির শপথ ও পরিচিতি সভা সাগরে জেলে অপহরণ, ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি বরগুনায় বিএনপির ২২ নেতার নামে মামলা বরগুনা সদর উপজেলা শ্রমিক লীগ উদ্যোগে, কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি ফজলুল হক মন্টুর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও শোকসভা

স্ত্রী চলে যাওয়ায় ভারসাম্যহীন ৫ বছর ধরে শিকলবন্দী বরগুনার তুহিন

  • আপলোডের সময় : রবিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২১
  • ১০৩ বার নিউজটি দেখা হয়েছে

জহির রায়হান : স্ত্রী চলে যাওয়ায় মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে পাঁচ বছর ধরে ঘরে শিকলবন্দী হয়ে আছেন জয়নাল হোসেন তুহিন (২৯) নামের এক যুবক। তুহিন বরগুনা সদর উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের সুরেশ্বর বাজার এলাকার আবদুল জব্বারের ছেলে।

স্থানীয় ও ভুক্তভোগীর স্বজনরা জানান, ২০১৩ সালে নিজের পছন্দে বিয়ে করেন তুহিন। মা—বাবা, স্ত্রী নিয়ে আনন্দেই দিন কাটাচ্ছিলেন তুহিনের। বিয়ের পর বরিশালের একটি প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকরি হয় তার। ফলে বরিশালেই থাকতে হত তাকে। ২০১৭ সালের কোনো কারণ ছাড়া ডিভোর্স দিয়ে স্ত্রী বাবার বাড়ি চলে যায়। খবর পেয়ে তুহিন বাড়ি চলে আসেন। ঘরে ঢুকে দরজা—জানালা বন্ধ করে আসবাবপত্র ভাঙচুর করতে থাকেন। পরে স্বজনরা দরজা ভেঙে অজ্ঞান অবস্থায় তুহিনকে উদ্ধার করেন। এরপর থেকেই তুহিন অস্বাভাবিক আচরণ করতে শুরু করে। জিনে ধরেছে মনে করে বেশ কয়েকজন ওঝার শরণাপন্ন হন তুহিনের বাবা—মা। তাদের পরামর্শে পুনরায় বিয়ে করান তাকে। তারপরও সুস্থ হয়নি তুহিন। ফলে দ্বিতীয় স্ত্রীও বাবার বাড়িতে থাকেন।

তুহিনের মা সুফিয়া বেগম জানান, টাকার অভাবে ছেলেটার কোনো চিকিৎসা করাতে পারছিনা। তাই বাধ্য হয়ে তাকে বেঁধে রাখতে হয়। ছাড়া পেলে ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে। সরকার এত মানুষকে সহায়তা দেয় আমাদের চোখে পড়েনা। এ বিষয়ে তুহিনের বাবা আবদুল জব্বার বলেন, আমার চার মেয়ে দুই ছেলে। মেয়েরা সবাই শশুরবাড়ি থাকে। আর বড় ছেলে স্ত্রী—সন্তান নিয়ে আলাদা থাকে। আমার ছোট ছেলে তুহিন পাঁচ বছর ধরে পাগল। লোকজনের কাছ থেকে খাবার চেয়ে এনে জীবন চালাই। এখন পর্যন্ত সরকারি—বেসরকারি কোনো সহায়তাই পাইনি।

বুড়িরচর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মইনুদ্দিন ময়না জানান, আগে ভালো ছিল তুহিন। কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকরি করত। হঠাৎ স্ত্রী তাকে তালাক দিয়ে চলে যাওয়ায় ভীষণভাবে মানসিক আঘাত পায়। এরপর থেকে তার এ হাল। বরগুনা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আনিসুর রহমান বলেন, চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র নিয়েই তার কার্ডের ব্যবস্থা করা হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুণ :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর :
© All rights reserved © 2020 The Daily Dipanchal
Customized By BlogTheme