1. dipanchalbarguna@gmail.com : dipanchalAd :
বেতাগীতে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি - dipanchalnews
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ০৯:৫৯ অপরাহ্ন
শীর্ষ সংবাদ :
দক্ষিণাঞ্চলের স্বপ্নের দুয়ার খুলছে আজ হাইকোর্টে দুই মামলায় খালেদা জিয়ার স্থায়ী জামিন টাঙ্গাইলে নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপিত- বরগুনায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হজ্জ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় হাত-পা বেঁধে ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টা, বৃদ্ধ গ্রেপ্তার টাংগাইলে জাতীয় শিশু কিশোর ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান- বরগুনায় ইসলামি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দুঃস্থদের মাঝে সরকারি যাকাত ফান্ডের চেক বিতরণ জেলায় শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ নির্বাচিত মাওঃ মুহাম্মদ ইউনুস আলী বরগুনায় কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত “প্রত্যাবর্তনের চার দশক,শেখ হাসিনার বদলে দেওয়া বাংলাদেশের,অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা”

বেতাগীতে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি

  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২০
  • ২০০ বার নিউজটি দেখা হয়েছে

স্বপন কুমার ঢালী, বেতাগী : বরগুনার বেতাগী পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে চলছে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি। গত ৫ দিন যাবত চাঁদাবাজির কারণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে ব্যবসায়ী ও স্থানীয় মানুষ।

সরজমিনে দেখা গেছে, গতকাল বুধবার ও আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ও ২০ আগস্ট) এ দুই দিন উপজেলার বেতাগী পৌরসভাসহ মোকামিয়ার মাদরাসা বাজার ও হোসনাবাদ ইউনিয়নের নীলখোলা, জলিশাবাজারে ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের কাছে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি করতে দেখা গেছে ।

পৌরসভার একাধিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বলেন, আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল থেকেই বাজারের বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে পল্লী বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের মোড় হয়ে লঞ্চঘাট পর্যন্ত প্রতিটি দোকানে দুজন মিলে একটি বড় হাতি নিয়ে হানা দেন। দোকানপ্রতি কমপক্ষে ২০-৫০ টাকা করে আদায় করা হয়। হাতি নিয়ে দোকানের সামনে এসে তারা দাঁড়ান, টাকা না দেওয়া পর্যন্ত সেখান থেকে হাতি সরানো হচ্ছে না। এভাবে টাকা আদায়ের কারণে বিক্রিতেও সমস্যা হচ্ছে। কোন দোকানদার ২ টাকা বা ৫ টাকা দিলে হাতির শুড় দিয়ে দোকানের মালামাল ফেলে দিতে দেখা গেছে।

জলিশা বাজারের ব্যবসায়ী মো.শফিক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মাঝে মাঝেই বিভিন্ন এলাকা থেকে হাতি নিয়ে এসে চাঁদা আদায় করা হয়। বিষয়টি দেখার যেন কেউ নেই। গতকাল বিকেলে উপজেলার মোকামিয়ার হাটবাজারে গিয়ে দেখা যায়, বড় হাতির পিঠে বসে একজন হাতিটিকে পরিচালনা করছেন। তাঁর এই কাজে সহযোগিতা করছেন তাঁরই এক সহযোগী। প্রতিটি দোকান থেকে হাতি দিয়ে টাকা তোলা হয়। টাকা না দেওয়া পর্যন্ত দোকান থেকে হাতি সরানো হয় না। বাজারের দুই ব্যবসায়ী বলেন, প্রায় প্রতিদিনই অনেক খাতে টাকা দিতে হয়। বর্তমানে হাতিকেও দিতে হচ্ছে। বিষয়টি খুবই পীড়াদায়ক।
হাতি পরিচালনাকারী একজন বলেন, একটি বড় ও একটি বাচ্চা হাতি নিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে খাবারের জন্য কিছু টাকা নেওয়া হয়। তবে টাকা নেওয়ার সময় কাউকে জোর করা হয় না। লোকজন স্বেচ্ছায় যা দেয়, তা–ই নেওয়া হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, বনের পশু পালনের জন্য নির্দিষ্ট আইন আছে। সার্কাস দলে পালনের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়। তবে বন্য এসব পশুর যাবতীয় দায়িত্ব মালিকের। এভাবে টাকা আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। বড় হাতি অথবা বাচ্চা হাতি দিয়ে এভাবে টাকা আদায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.রাজীব আহসান আজ বৃহস্পতিবার মুঠোফোনে বলেন, এভাবে বন্য পশু দিয়ে টাকা আদায়কারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুণ :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর :
© All rights reserved © 2020 The Daily Dipanchal
Customized By BlogTheme