1. dipanchalbarguna@gmail.com : dipanchalAd :
মিথ্যা মামলা দিয়ে একটি পরিবারকে হয়রানীর অভিযোগ - dipanchalnews
রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন
শীর্ষ সংবাদ :
মানবতার আরেক নাম নব-গঠিত বরগুনা পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগ মানবতার আরেক নাম নব-গঠিত বরগুনা পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগ “ধ্রুবতারা” বরগুনা জেলা কমিটির সভাপতি সুমন সিকদার, সম্পাদক অর্পিতা বরগুনায় শ্রমিকলীগের উদ্যোগে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক মন্টু এর ২য় মৃত্যু বার্ষিকী পালিত জেলা আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদককে শ্রমিক লীগের শুভেচ্ছা জেলা আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত সভাপতিকে শ্রমিক লীগের শুভেচ্ছা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শ্রমিক লীগের উদ্যোগে বরগুনায় জেল হত্যা দিবস পালিত বরগুনায় ৪৫ লিটার চোলাই মদসহ ডিবি পুলিশের হাতে আটক-৪ বরগুনায় ডিবি পুলিশের হাতে ইয়াবা সহ দুই মাদক কারবারী আটক

মিথ্যা মামলা দিয়ে একটি পরিবারকে হয়রানীর অভিযোগ

  • আপলোডের সময় : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২০
  • ২১২ বার নিউজটি দেখা হয়েছে

জুলহাস (স্টাফ রিপোর্টার) : বরগুনা সদর উপজেলার ৮নং সদর ইউনিয়নের পাজরাভাঙ্গা গ্রামের মোঃ মোসলেম খানের ছেলে ইব্রাহিম খানের পরিবারকে বিভিন্ন প্রকার মিথ্যা মামলা ও জীবননাশের হুমকি দিয়ে দিনের পর দিন হয়রানি করে আসছেন আপন চাচা মন্তাজ খান ও তার মেয়ে কুলসুম বিবি।

ঘটনা স্থানে গিয়ে জানাযায়, ইব্রাহিম খানের জমির উপরে থাকা মেহগনি গাছ ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে পড়ে গেলে, সেই গাছ কুলসুমের জমির উপরে পড়েছে বলে দাবি করেন তিনি। পরে গাছটি কুলসুম তার বাবা,ভাই ও বোনের ছেলেরা মিলে কাটতে গেলে ইব্রাহিম খান এতে বাঁধা দেয়। একপর্যায়ে কুলসুমের বাবা মন্তাজ খান দাও নিয়ে ছুটে আসলে সেই দাওয়ের আঘাতেই নাতি শিপন (১৪) এর হাত কেটে যায় । পরে তাকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতলে ভর্তি করেন । উন্নত চিকিৎসার জন্য ডাক্তার বরিশাল প্রেরণ করেন। সেখান থেকে এসে কুলসুম ইব্রাহিমের নামে বাদি হয়ে বরগুনা সদর থানায় একটি মিথ্যে অভিযোগ দেয়। ঘটনাস্থলে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রুহুল পরিদর্শন করে উক্ত অভিযোগ মিথ্যা পায়। সেখানে বসেই কুলসুমকে তদন্ত কর্মকর্তা অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন, কেন একজন মানুষকে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। পরে থানায় মিথ্যা অভিযোগে ব্যর্থ হয়ে পুনরায় বরগুনা ডিবি অফিসে ইব্রাহিমের নামে একই অভিযোগ দায়ের করেন। ডিবির ওসি হারুন আর রশিদ ইব্রাহিমকে তার অফিসে ডেকে এনে বিস্তারিত শুনে দুই পক্ষকে একটি সালিশি মীমাংসা করার জন্য সালিশ মানিয়ে দেয়। সালিশির তারিখের দিন কুলসুম তার কোনো সাক্ষী উপস্থিত করতে পারেনি। শেষমেষ কুসুম সালিশি না মেনে সালিশী বৈঠক থেকে তার বাবাকে নিয়ে চলে যায়। কুলসুম সালিশ মানেনি এ বিষয়টি সালিশ গনরা বরগুনা ডিবি অফিসের ইনচার্জ হারুন-অর-রশীদকে জানায়।

স্থানীয় দোকানদার আজহার হাওলাদার বলেন, ইব্রাহিম খাঁ আমাদের গ্রামের অত্যন্ত ভালো মানুষ। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকার হয়রানি করে আসছেন আমাদের গ্রামেরই তার আপন চাচা মন্তাজ খানের মেয়ে কুলসুম।

একই গ্রামের আলেফ খান বলেন, ইব্রাহিম খাঁ আমাদের এলাকার সকলের সুঁখে-দুঃখে পাশে থাকে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আসছে। আমরা কেন সত্য কথা বলি আমাদেরকে এসে মামলা দেওয়ার হুমকি দেয় কুলসুম। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

ইব্রাহিম খান বলেন, আমার জমির গাছ কুলসুমের ভাই ফরহাদ, খালাতো ভাই হেলাল, মিজান বোনের ছেলে শিপন ও তার বাবা মস্তাজ খান মিলে জোরপূর্বক তাদের জমি দাবি করে আমার গাছ কাটে এতে আমি বাধা দিলে মন্তাজ খান দাও নিয়ে ছুটে আসে আমাকে কোপাতে। সেই দায়ের আঘাতে তার নাতির হাত কেটে যায়। সেই হাত কাটাসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে আমার নামে বরগুনা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। থানার অভিযোগে মিথ্যা প্রমানিত হওয়র পরে একই অভিযোগ ডিবি অফিসে দেয় এই কুলসুম । ডিবি অফিস থেকে সালিশি মানিয়ে দেওয়র পর আমরা সালিশিতে বসলে সকল সাক্ষীগন কুলসুমের বিপক্ষে সাক্ষী দেওয়ায় তিনি সালিশ থেকে তার বাবাকে নিয়ে চলে যায়। কুলসুম এমনই প্রকৃতির মেয়ে সে এলাকার কাউকে মানে না। এই কুলসুম দীর্ঘ ২০ বছর আগে আমার নামে শিশু ও নারী নির্যাতন মামলা দিয়ে ছিলো। সেই মামলাটিও মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। এই কুলসুম শুরু থেকেই আমার পরিবারের পিছু নিয়েছে। কিভাবে হয়রানি করা যায় এটাই হচ্ছে তার চিন্তাভাবনা। আমি এর থেকে রক্ষা পেতে চাই।

এ ব্যাপারে মুঠোফোনে কুলসুম বিবি বলেন, আমার বিরুদ্ধে যা বলছে এ গুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা । আমাকে হয়রানি করার জন্য ইব্রাহিম খান এগুলো করতেছেন।

বরগুনা সদর থানার সাব-ইন্সপেক্টর রুহুল বলেন, সদর থানায় একটি অভিযোগ দিলে ঘটনাস্থলে তদন্ত করে অভিযোগের সাথে কোন সততা না পাওয়া অভিযোগটি আমলে নেওয়া হয়নি।

এব্যাপারে বরগুনা গোয়েন্দা শাখার ইনচার্জ হারুন অর রশিদ বলেন, আমাদের এখানে একটি অভিযোগ দায়ের করেন কুলসুম। তার প্রেক্ষিতে আমরা দুই পক্ষকে ডেকে মিমাংসার জন্য সালিশি মানিয়ে দেই। পরে সালিশি গনরা আমাকে ফোন করে জানিয়েছে কুলসুম সালিশি না মেনে বৈঠক থেকে তার বাবাকে নিয়ে চলে গেছে। এর পরে আর আমার কাছে কেউ আসেনি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুণ :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর :
© All rights reserved © 2020 The Daily Dipanchal
Customized By BlogTheme