1. dipanchalbarguna@gmail.com : dipanchalAd :
অসহায় মহিলাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে - dipanchalnews
শুক্রবার, ০১ জুলাই ২০২২, ০১:০০ পূর্বাহ্ন
শীর্ষ সংবাদ :
দক্ষিণাঞ্চলের স্বপ্নের দুয়ার খুলছে আজ হাইকোর্টে দুই মামলায় খালেদা জিয়ার স্থায়ী জামিন টাঙ্গাইলে নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপিত- বরগুনায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হজ্জ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় হাত-পা বেঁধে ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টা, বৃদ্ধ গ্রেপ্তার টাংগাইলে জাতীয় শিশু কিশোর ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান- বরগুনায় ইসলামি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দুঃস্থদের মাঝে সরকারি যাকাত ফান্ডের চেক বিতরণ জেলায় শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ নির্বাচিত মাওঃ মুহাম্মদ ইউনুস আলী বরগুনায় কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত “প্রত্যাবর্তনের চার দশক,শেখ হাসিনার বদলে দেওয়া বাংলাদেশের,অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা”

অসহায় মহিলাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২০
  • ৩৪৪ বার নিউজটি দেখা হয়েছে

জুলহাস(স্টাফ রিপোর্টার): বরগুনা সদর উপজেলার ৫ নং আয়লাপাতাকাটা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আশশাকুর রহমান ফিরোজের বিরুদ্বে মিনারা বেগম(৫০) নামের দরিদ্র মহিলা সাহায্য চাইতে গেলে প্রকাশ্যে তাকে লাথি দিয়ে ফেলে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে ইউনিয়নের কদমতলা বাজারে এ ঘটনা ঘটে, এবং বিভিন্ন সময় তার বিরুদ্ধে কেউ অভিযোগ করলে তাকে ধরে নেয় নির্যাতন করে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

মিনারা বেগমের বাড়ী আয়লাপাতাকাটা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের কেওড়াবুনিয়া গ্রামে। পেশায় একজন নারী শ্রমিক। আজ ইউনিয়ন পরিষদে বে-সরকারী সংগঠন ” সুশীলন” রাস্তার কাজের জন্য ৫ জন নারী শ্রমিক বাছাই করে।

বাছাইয়ে মিনারা টিকতে না পেরে চেয়ারম্যানের নিকট সাহায্য (ত্রান) চাইতে গেলে চেয়ারম্যান প্রথমে তাকে ধমক দেন। মিনারা বেগম বলেন,আমি চেয়ারম্যানের কাছে সাহায্যের জন্য গেলে সে আমাকে বলে তুই নাকি পিছনে বসে আমাকে গালিগালাজ করো এই বলে সে দোকান থেকে বের হয়ে আমাকে প্রথম লাথি মারে লাথি খেয়ে আমি মাটিতে পড়ে যাই পড়ে যাওয়ার পর সে আমাকে আবার লাথি মারে আমি এর বিচার চাই।

দোকানদার মতি বলেন,আমার দোকানের সামনে বসেই ঘটনা ঘটেছে আমার দোকানে চেয়ারম্যান বসা ছিল। হঠাৎ করে ওই মহিলা এসে চেয়ারম্যানের কাছে আকুতি করা শুরু করল, চেয়ারম্যান তাকে দেখে উত্তেজিত হলো কিন্তু তাকে লাথি মেরেছে কিনা সেটা আমি দেখিনি দোকানে ভিড় থাকার কারণে।

আরিফুজ্জামান রেজা বলেন,চেয়ারম্যান দরিদ্র মিনারা বেগম কে লাথি মেরেছে এবং সে পূর্বেও এরকম ঘটনা অনেক ঘটাইছে আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই ও তদন্তপূর্বক তার বিচারের দাবি করছি।

চেয়ারম্যান আশশাকুর রহমান ফিরোজ মিনারা বেগমকে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,এই মহিলা বিভিন্ন সময়ে পরিষদে আমার রুমে গিয়েও বিরক্তি করে। অশোভন কথা বলে। ইউনিয়নের ওয়ার্ড ভিত্তিক ত্রান মেম্বরের মাধ্যমে পাবার পরও নিয়মিত বিরক্ত করে আসছে। আজ পরিষদ থেকে বের হবার পর আবার বিরক্ত করলে আমি তাকে বলি তোকে দরকার লাথি মেরে ফেলে দেয়ার, আমি লাথি মারার জন্য পা তুলেছি ও বলেছি এখান থেকে যা। আমি তাকে লাথি মারিনি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুণ :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর :
© All rights reserved © 2020 The Daily Dipanchal
Customized By BlogTheme