1. dipanchalbarguna@gmail.com : dipanchalAd :
তালতলীতে প্রাণিসম্পদের খাবার বিক্রির অভিযোগ - dipanchalnews
সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২, ০৬:০৬ অপরাহ্ন

তালতলীতে প্রাণিসম্পদের খাবার বিক্রির অভিযোগ

  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২০
  • ১০৯ বার নিউজটি দেখা হয়েছে

তালতলী (বরগুনা) সংবাদদাতা : বরগুনার তালতলীতে প্রাণি সম্পদ হাসপাতালের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রাণিসম্পদের খাবার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল ৬ জুলাই রবিবার বিকালে প্রাণিসম্পদ হাসপাতাল থেকে রিক্রা যোগে চোরাই পথে খাবার নেয়ার সময় ৫ নং বড়বগী ইউ পির ৪ নং ওয়ার্ড সদস্য জয়নাল আবেদীন স্থানীয়দের সহযোগিতায় হাতে-নাতে ধরে ফেলে পরে ছেড়ে দেয় এবং হাসপাতালের ডাক্তার সঞ্জয় দাসের কাছে বিক্রির কারণ জানতে চায়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে স্থানীয়রা ভিডিও ধারণ করেন। তালতলী প্রাণিসম্পদ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সরকার উপকুলীয় ১৫টি উপজেলায় ”উপকুলীয় চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রানিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প” চালু করেন। তালতলী উপজেলার নিশানবািিড়িয়া, সোনাকাটা ও বড়বগী এ ৩টি ইউনিয়নে প্রকল্পটি চালু হয়। প্রতি ইউনিয়নে ৫ শ সুফল ভোগিদেরকে ২০ টি গ্রুপে ২৫ জন করে হাস-মুরগী বিতরণ করা হয়। ১০টি গ্রুপের প্রত্যেক সুফল ভোগীকে ২০ টি হাস, ৬ টি গ্রুপের প্রত্যেক সুফল ভোগিদেরকে ২০ টি করে সোনালী মুরগী ও ৪ টি গ্রুপে ৩ টি করে ভেড়া বিতরণ করা হয়। প্রতি জন সুফল ভোগি ২ বারে হাস-মুরগীর খাবার বাবদ ১২৫ কেজি করে খাবার পাবে। এ সকল খাবার বিতরণের নামে কালোবাজারে বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। এ ব্যপারে ইউ পি সদস্য জয়নাল আবেদীনের কাছে জানতে চাইলে প্রথমে তিনি বলেন খাবার সহ রিক্সায় লোক আটক করেছি কিন্ত সঞ্জয় ডাক্তারের সাথে কথা বলার সময় তারা পালিয়ে গেছে, পরবর্তীতে তিনি বলেন এ ব্যপারে স্থানীয় ভাবে মিউচ্যুয়াল হযে গেছে এখন কিছু বলার নেই।

এ ব্যাপারে প্রাণিসম্পদ কর্মকতার্ ডাঃ সঞ্জয় দাসের সাথে কথা বললে তিনি ডাঃ আলতাপ হোসেনের কছে জানতে বলেন। উপজেলা প্রানিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আলতাফ হোসেনের সাথে জানতে চাইলে তিনি বলেন, খাবার বিক্রি করা হয়নি বরং সুফলভোগিদেরকে দেয়া হয়েছে। কোন সুফলভোগিকে দেয়া হয়েছে তার নাম ও সদস্য নং জানতে চাইলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। তিনি অরও বলেন খাবার বিতরণের জন্য প্রকল্পে একজন এল এফ এফ আছে বনি আমিন তিনি ফোন করলে আমাদের কেয়ারটেকার সানু খাবার দিয়ে দেয়। কেয়ারটেকার সানুর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে এল এফ এফ বনি আমিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন ৩ নং গ্রুপের ১৪ নং সদস্য নুরজাহানকে ১ বস্তা খাবার দেয়া হয়েছে, তবে রিক্সায় ২ বস্তা খাবার সহ অটক করা হয়েছে এমন অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুণ :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর :
© All rights reserved © 2020 The Daily Dipanchal
Customized By BlogTheme