1. dipanchalbarguna@gmail.com : dipanchalAd :
করোনা জয়ী একজন স্বাস্থ্য সহকারী'র গল্প - dipanchalnews
রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন
শীর্ষ সংবাদ :
মানবতার আরেক নাম নব-গঠিত বরগুনা পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগ মানবতার আরেক নাম নব-গঠিত বরগুনা পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগ “ধ্রুবতারা” বরগুনা জেলা কমিটির সভাপতি সুমন সিকদার, সম্পাদক অর্পিতা বরগুনায় শ্রমিকলীগের উদ্যোগে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক মন্টু এর ২য় মৃত্যু বার্ষিকী পালিত জেলা আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদককে শ্রমিক লীগের শুভেচ্ছা জেলা আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত সভাপতিকে শ্রমিক লীগের শুভেচ্ছা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শ্রমিক লীগের উদ্যোগে বরগুনায় জেল হত্যা দিবস পালিত বরগুনায় ৪৫ লিটার চোলাই মদসহ ডিবি পুলিশের হাতে আটক-৪ বরগুনায় ডিবি পুলিশের হাতে ইয়াবা সহ দুই মাদক কারবারী আটক

করোনা জয়ী একজন স্বাস্থ্য সহকারী’র গল্প

  • আপলোডের সময় : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২০
  • ২৭৮ বার নিউজটি দেখা হয়েছে

স্বপন কুমার ঢালী, বেতাগী (বরগুনা): বরগুনার বেতাগীতে চিকিৎসকের পর এবার এক ইউনিয়ন স্বাস্থ্য সহকারী করোনা যুদ্ধে জয়ী হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন। করোনা যুদ্ধে জয়ী এই স্বাস্থ্য সহকারীর নাম মো. সোহেল আমিন। তিনি বেতাগী উপজেলার সদর ইউনিয়নের স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র পেয়ে গত রবিবার (০৭ জুন) কর্মস্থলে ফিরেছেন।
তিনি বললেন, করোনায় আক্রান্ত থেকে নিজেকে ১৫ দিন আইসোলেসনো থাকতে হবে। মনে সাহস রাখতে হবে। কোন অবস্থায় মনকে ডিপ্রেশন করানো যাবে না। কারো সংস্পর্শে যাওয়া যাবে না। দিন কমপক্ষে ১০ থেকে ১৫ বার, লবঙ্গ, আদা, গোলমরিচ, লেবু, মালটা, এলাচ, কালোঝিড়া, পুদিনা পাতা মিশ্রিত চা তৈরি করে পান করতে হবে এবং এগুলো মিশ্রিত করে গরম অবস্থায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর্যন্ত নাক ও মুখ দিয়ে শ্বাস নিতে হবে। টক জাতীয় মানে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। হাত বার বার সাবান দিয়ে ধৌত করতে হবে এবং নিজের ব্যবহারের কাপড়গুলো সাবান দিয়ে ধৌত করতে হবে। নিজের কক্ষের মেঝেতে দিনে কয়েকবার জীবানুনাশক দিয়ে স্প্রে করতে হবে। স্বাস্থ্যসম্মত মাস্ক ও হাতগ্লোবস্ পরতে হবে। এভাবে একাজগুলো নিজে নিজেই করতে হবে। তাহলে ১৫ দিনের মধ্যে সুস্থ হবে।

তিনি আরো বলেন, গত ০১ জুন সোহেল আমিনের শরীর থেকে দ্বিতীয়বার নমুনা সংগ্রহ করে বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ে (শেবাচিম) পাঠানো হয়। গত ৬ জুন ফলাফল নেগেটিভ আসে। এর আগে গত ২০ মে তাঁর শরীরে করোনা শনাক্ত হলে তিনি নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিতে থাকেন।

সোহেল আমিন জানান, স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে সে বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন সময় শিশুদের টিকা দিতে যেতেন। এসময় অনেক মানুষের সংস্পর্শে তিনি এসেছেন। কিভাবে তাঁর শরীরে করোনা ছড়িয়েছে তার কাছে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট কোন ধারণা নেই।

স্বাস্থ্য সহকারী সোহেল বলেন, ’১৮ মে নমুনা দেওয়ার পর ২০ মে রাতে ফলাফল পজিটিভ আসে। প্রথমে কোন করোনা লক্ষন বা উপসর্গ ছিল না। তবে কিছুদিন পর ডায়রিয়া ও বমি দেখা দেয়। তখন খুব আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম। কাভিড-১৯ ধরা পড়ার পর আইসোলেশনে চলে যাই। সেখানে চিকিৎসায় আস্তে আস্তে উপসর্গগুলো কমতে থাকে। এরপর দ্বিতীয়বার নমুনা দিলে ফল নেগেটিভ আসে। গত রবিবার থেকে কর্মস্থলে যোগ দিয়েছি। পুনরায় মানুষের সেবায় ফিরতে পেরে খুব আনন্দ লাগছে।

করোনা জয়ী সোহেল জানান, ‘করনায় আক্রান্ত হবার পর আমি আতঙ্কিত হয়ে পরি। তারপরও ভেঙ্গে পরিনি। নিজের প্রতি ও আল্লাহর ওপর ভরসা রেখেছি। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষসহ সবাই সাহস দিয়েছেন। বাড়িতে এসে খোঁজ নিয়েছেন। করোনা হলে আতঙ্কিত ও ভয় পেলে চলবে না। সঠিক সচেতনতার মাধ্যমে করোনা জয় করা সম্ভব।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুণ :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর :
© All rights reserved © 2020 The Daily Dipanchal
Customized By BlogTheme