1. dipanchalbarguna@gmail.com : dipanchalAd :
বিয়ের প্রলভোন দেখিয়ে নবম শ্রেনির ছাত্রীকে বার বার ধর্ষণ - dipanchalnews
রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১:৫২ অপরাহ্ন

বিয়ের প্রলভোন দেখিয়ে নবম শ্রেনির ছাত্রীকে বার বার ধর্ষণ

  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১১ মে, ২০২০
  • ৩২৫ বার নিউজটি দেখা হয়েছে

জুলহাস:বরগুনা সদর উপজেলার ৪নং কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের আমরাজুড়ি লোডপোড়া গ্রামে নবম শ্রেনির এক ছাত্রীকে এক বছর ধরে বিয়ের প্রোলভোন দেখিয়ে বার বার ধর্ষন করেন স্থানীয় এক দোকানদার।

শুক্রবার বরগুনা সদর উপজেলার ৪নং কেওড়াবুনিয়া আমরাজুড়ি লোডপোড়া গ্রামে নবম শ্রেনির ছাত্রী ও একই গ্রামের মোঃ সিদ্দিক এর ছেলে মোঃ সাইদুল ইসলামকে এলাকাবাসি মেয়ের ঘর থেকে বিশ ফুট দূরে একটি পরিত্যাক্ত বাড়ি থেকে অপকর্ম করা অবস্থায় উদ্দার করেন।পরে গন্যামান্য এলাকার চেয়ারম্যান, মেম্বার ওয়ার্ড আওয়ামিলীগ সভাপতির উভয় পক্ষের সমন্নয় সমাধান করেন।

স্থানীয় সূত্রে যানা যায়, মোঃ সিদ্দিক এর ছেলে মোঃ সাইদুল ইসলাম এর সাথে এক বছর ধরে মেয়ের সাথে ভালোবাসার সম্পর্ক ‍ছিলো। সাইদুলের দোকান চলাকালিন সবসময়ই মেয়ে আসাযাওয়া করতো। তাদের শারিরীক সম্পর্ক সন্দেহ করেছি কিন্তু কখনো দেখি নাই। তবে শুক্রবার রাত্র নয়টার দিকে এলাকার মানুষ ছেলে মেয়ে দুইজন কেই উলঙ্গ অবস্থায় উদ্দার করেন। তারপর ওখান থেকে স্থানীয় নিজাম উদ্দিন এর বাসায় বসে বিষয়টি মিমাংশা করা হয়।

ভূক্তভূগী মেয়ে বলেন, এক বছর ধরে সাইদুলের সাথে আমার ভালোবাসার সম্পর্ক। তার আগে দুই স্ত্রী ছিলো তাদের সাথে ছাড়াছাড়ির পরে আবার একটা বিয়ে করে এখন এই স্ত্রী নিয়ে সংশার করে।তবে আমাদের সম্পর্কের আগে এইগুলো জানতাম না। যখন জেনেছি তখন এই স্ত্রী কে তালাক দিয়ে আমাকে বিয়ে করবে বলে প্রায়ই আমার সাথে দেখা করার জন্য আসতো আর তখন শারিরীক মেলামেশা করতো আর এটা এক বছর যাবৎ যখন রাতে আসতো তখনই এইগুলো করতো। তবে শুক্রবারের ঘটনার পরে আমি জানতে পারলাম যে আমাকে সাইদুল বিয়ে করবে না। তাই আমি বিচারের জন্য থানায় জানাতে চাইছি কিন্ত আমার মা সহ এলাকাবাসি যেতে দেয়নায়।

মেয়ের মা বলেন, এরকম কোন কিছু হয় নায় তবে সব কিছু মিমাংশা হয়েছে। আর কোন ঝামেলায় জরাতে চাই না।

ছেলের বাবা মুঠো ফোনে বলেন,আমার ছেলে অই মেয়ের সাথে ফোনে কথা বলতো সেখানে একটা সমস্যা হয় আমারা সেটা চেয়ারম্যানকে নিয়ে সমাধান করেছি
কি সমাধান হয়েছে জানতে চাইলে,ছেলের বাবা বলেন কিছু টাকা দিয়ে এটা চেয়ারম্যান মিট করে দিছে টাকাটা মেয়ের বিয়ের সময় দেওয়া হবে

ইউপি চেয়ারম্যান মুঠো ফোনে বলেন,বিষয়টা কোন জটিল ঘটনা না ছেলে ও মেয়ে ফোনে কথা বলত পরে তারা দেখা করে সেখানে একটু সমস্যা হয় পরে যার যার পথে সে সে চলে যায়। আর্থিক জরিমানার কথা জিজ্ঞেস করলে, আমরা জরিমানা করতে যাব কিসের জন্য টাকার বিষয় আমি কিছু জানিনা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুণ :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর :
© All rights reserved © 2020 The Daily Dipanchal
Customized By BlogTheme