1. dipanchalbarguna@gmail.com : dipanchalAd :
ও এম এস এর চাল প্রাপ্তির কার্ড বিতরণে অনিয়ম - dipanchalnews
রবিবার, ০৩ জুলাই ২০২২, ০২:০৬ অপরাহ্ন

ও এম এস এর চাল প্রাপ্তির কার্ড বিতরণে অনিয়ম

  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ১ মে, ২০২০
  • ৪০৩ বার নিউজটি দেখা হয়েছে

জুলহাস : বরগুনা কলেজ-রোড এলাকায় ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রয়ে (ওএমএস) অনিয়মের ঘটনায় অভিযুক্ত কমিশনার এর হায়ার করা এক মহিলা ভূক্ত ভূগীকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়ায় এক হাজার টাকা অর্থদন্ড করেছে এবং কমিশনারের বিরুদ্দে তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করবে বলে জানিয়েছে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট।

বৃহঃপতিবার দুপুর ১২ টার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার কলেজ-রোড এলাকায় চাল বিতরণ কেন্দ্র মনিটরিংয়ে গেলে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটকে গিয়ে বলেন একজন নারী ও একজন পুরুষ ভুক্তভোগী এসে ১০টাকা করে কেজি (ওএমএস) এর চাল এর কার্ড পেতে লিস্টে নাম থেকেও কয়েকবার ঘুরেও বঞ্চিত হয়ে। অভিযোগ পেয়ে তৎক্ষনাত ঘটনাস্থলে বিষয়টি সমাধান করেন। এছাড়া অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মহোদয়কে জানানো হয়েছে। অভিযোগকারীদের অভিযোগ ও বিবৃতি রেকর্ড করে নেওয়া হয়েছে এবং যথাযথ মাধ্যমে এ বিষয়ে খতিয়ে দেখা হবে।

ভুক্তভোগী মেয়েটি কার্ড না পাবার অভিযোগ বলতে গিয়ে গতবছরের অনৈতিক প্রস্তাবের বিষয়টিও বলেন এই ফারুক কমিশনার রাতের আধাঁরে কার্ড দেওয়ার নামে তার ঘরে ডাকলে ঘরে যেতে ইচ্ছুক না হলে আমাদের এখন পর্যন্ত কোন ত্রান-সহযোগীতা দেয়নি বলে জানা যায়।

উপস্থিত লোকজন বলেন, ফারুক কমিশনার ইউনিয়ন থেকেও বহিরাগত লোকজন দের পৌরসভার কার্ড বানিয়ে দিয়ে (ওএমএস) চাল এর সুবিধা দিয়ে যাচ্ছেন। অন্যদিকে প্রকৃত বাসিন্দা এমনকি কর্মহীন গরীব অনেকেই বঞ্চিত হচ্ছেন। এই আদালত যখন চলছিল তখন সরকারি কলেজ এর গেইট এর বাইরে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা দীর্ঘ লাইনের প্রায় ২০/২৫ জন লোক চাল না নিয়েই লাইন থেকে বেরিয়ে সরে যায়। এ খবর শোনে গেটের বাইরে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক, ডিএসবি পুলিশ সদস্য এবং ওসিএলএসডি, বরগুনা সদর,খাদ্য অধিদপ্তর এর সদস্য সহ অনেকে।

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আবুবক্কর সিদ্দিকী বলেন, একজন নারী ও একজন পুরুষ ভুক্তভোগী এসে (ওএমএস) এর চাল এর কার্ড পেতে লিস্টে নাম থেকেও কয়েকবার ঘুরেও বঞ্চিত হয় মর্মে আমাকে জানায়। তখন তাদের সাথে থাকা স্থানীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক সহযোগে এসে কার্ড প্রণয়ন তালিকায় নামসহ প্রমাণ দেখান। আমি বিষয়টি উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে জানতে ফারুক কমিশনার কে ডেকে পাঠাই।পরে এসে তিনি আমাকে সদুত্তর দিতে পারেননি।

তিনি আরো বলেন, একই সাথে কিছুক্ষণ পর তার তথ্যের ভিত্তিতে বাইরে থেকে এক নারী এসে ভুক্তভোগী নারীকে আমার সামনেই প্রকাশ্যে গালিগালাজ এবং শাশাতে থাকে। বিষয় টি লক্ষ্য করেই মহিলাকে ডেকে পাঠালে এসআই এর কথা না শোনে ওল্টো পালাতে শুরু করে। এক্ষেত্রে কমিশনার তাকে সরিয়ে দিতে গেটের বাইরে চলে যায়। আমি দ্রুত কমিশনারকে সরকারি কাজে অসহযোগিতার দায় দিলে তিনি তখন বের হয়ে ওই মহিলাকে ডেকে আমার সামনে হাজির করেন।আমি জানতে চাইলাম তিনি কেন এখানে হটাৎ এসে আমাদের উপস্থিতিতে এবং কার প্ররোচনায় প্রকাশ্যে ভুক্তভোগী নারীকে গালিগালাজ ও শাশালেন?

পরে তাকে সরকারি চাল বিতরণ কার্যক্রমে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির জন্য তাকে ডাকা হয়েছে, তিনি সরকারি আদেশ অমান্য করে আইন শৃঙ্খলা ভঙ্গ জনিত অপরাধ করেছেন।তখনো ওই নারী একরোখা ছিলো এবং তিনি সদুত্তর দিতে পারেননি। এজন্য তাকে মোবাইল কোর্ট এর আওতায় ঘটনাস্থলে দোষ প্রমাণিত হওয়ায় অর্থ দন্ড প্রদান করা হয় এবং ভবিষ্যতে এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সতর্ক করে দেওয়া হয়।

আরো বলেন, এবং সেসব লোকজনকে আশপাশে না পাওয়ায় তাদের কার্ড পরিক্ষা করে দেখার সুযোগ হয়নি।তবে ফারুক কমিশনার এর বিরুদ্ধে চাল প্রাপ্তির কার্ড নিয়ে অনিয়মের অভিযোগের বিষয় টি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মহোদয়কে জানানো হয়েছে। অভিযোগকারীদের অভিযোগ ও বিবৃতি রেকর্ড করে নেওয়া হয়েছে এবং যথাযথ মাধ্যমে এ বিষয়ে খতিয়ে দেখা হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুণ :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর :
© All rights reserved © 2020 The Daily Dipanchal
Customized By BlogTheme