1. dipanchalbarguna@gmail.com : dipanchalAd :
বরগুনায় নির্বিঘ্নে তরমুজ বিক্রি করবে চাষীরা - dipanchalnews
শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন
শীর্ষ সংবাদ :
বরগুনা পৌর পান-সুপারী ব্যবসায় সমবায় সমিতি লিঃ এর কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত বরগুনায় মহিলা পরিষদের উদ্যোগে নারী নির্যাতন প্রতিরোধপক্ষ ২০২২ অনুষ্ঠিত মানবতার আরেক নাম নব-গঠিত বরগুনা পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগ মানবতার আরেক নাম নব-গঠিত বরগুনা পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগ “ধ্রুবতারা” বরগুনা জেলা কমিটির সভাপতি সুমন সিকদার, সম্পাদক অর্পিতা বরগুনায় শ্রমিকলীগের উদ্যোগে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক মন্টু এর ২য় মৃত্যু বার্ষিকী পালিত জেলা আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদককে শ্রমিক লীগের শুভেচ্ছা জেলা আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত সভাপতিকে শ্রমিক লীগের শুভেচ্ছা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শ্রমিক লীগের উদ্যোগে বরগুনায় জেল হত্যা দিবস পালিত

বরগুনায় নির্বিঘ্নে তরমুজ বিক্রি করবে চাষীরা

  • আপলোডের সময় : শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২০
  • ৭০৩ বার নিউজটি দেখা হয়েছে

মুশফিক আরিফ : সদর উপজেলার ৯ নম্বর এম.বালিয়াতলী ইউনিয়নের সকল তরমুজ চাষীদেরকে জিম্মি করে সমিতির নামে চাঁদাবাজী করায় ওই ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল হালিমকে কড়া হুঁশিয়ারী দিয়েছেন বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মো. শাহজাহান হোসেন।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে এম. বালীয়াতলী ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। এর আগে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে বানাই ডিএন কলেজ চত্বরে তরমুজ চাষীদের সামনেই আবদুল হালিমকে এ হুঁশিয়ারী বার্তা দেয়া হয়।

চাঁদাবাজ হালিম ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ সেলিমের ছোট ভাই। সে গত ৩ বছর ধরে বালিয়াতলী ইউনিয়ন তরমুজ সমবায় সমিতির নামে তরমুজ চাষীদেরকে জিম্মি করে নানা ভাবে অত্যাচার ও নির্যাতন করে আসছিল।

পুলিশের উপস্থিতিতে কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, প্রতি বছর তরমুজের ফলন শুরু হলেই আবদুল হালিমের গঠনকৃত এ সমিতির কার্যক্রম শুরু হয়। সারা বছরে কৃষকদের অনুকূলে এ সমিতি কোন কাজ না করলেও ফলন মৌসুমে তার চাঁদাবাজীর গ্রুপ সক্রিয় হয়ে ওঠে। প্রতিটি তরমুজ পরিবহনে শ্রমিক মূল্য-২ টাকা, ট্রাক মূল্য ২ টাকা এবং সমিতি পাবে ২ টাকা এমনি হারে চাষীদেরকে জিম্মি করে তরমুজ প্রতি ৬ টাকা করে নিচ্ছিল। এমনকি হালিমের গঠিত এই সমিতির মাধ্যমে শ্রমিক এবং ট্রাক নিয়ে তরমুজ পরিবহন করতে হবে এমন সিন্ডিকিট তৈরি করেছে সে। এ কারণে কৃষকদেরকে চড়া মূল্য দিয়ে শ্রমিক এবং ট্রাক ভাড়া করতে হয়। দূর-দুরান্ত থেকে আসা পাইকারদেরকেও জিম্মি করে তার মাধ্যমে তরমুজ ক্রয়ে বাধ্য করা হয়। মধ্যস্বত্বভোগী হিসেবে তার ফাঁদে অনেক কৃষকরােই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

হালিমের সকল কার্যক্রমের সহযোগী হিসেবে রয়েছেন, বানাই এলাকার আ. মালেক, নূর হোসেন, লিটন, মোজাম্মেল, হেউলিবুনিয়া এলাকার সোহাগ মোল্লা, তালতলীর সাখাওয়াত এবং লতাকাটার পনু মাঝি। এদের মাধ্যমেই হালিম তার সকল নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে থাকেন।

মনসাতলী গ্রামের কৃষক পনু মিয়া জানান, হালিমের ভয়ে মুখ খুলতে পারেন না। তাদের কষ্টার্জিত ফসল প্রতি বছর সমিতির নামে হালিম জিম্মি করে থাকে। এ অবস্থা থেকে মুক্তি চান তারা।

জেলা পুলিশ এ খবর পেয়ে এলাকা পরিদর্শন করেন এবং কৃষকদের সমস্যার কথা শুনে আবদুল হালিমকে জনসম্মুখে শাসিয়ে আসেন।

বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মো. শাহজাহান হোসেন জানান, বরগুনায় এমন চাঁদাবাজদের স্থান হবেনা। কৃষকরা নির্বিঘ্নে তরমুজ বিক্রি করবে। সেক্ষেত্রে যাবতীয় সহযোগিতা দেবে জেলা পুলিশ বলেও জানান তিনি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুণ :

One response to “বরগুনায় নির্বিঘ্নে তরমুজ বিক্রি করবে চাষীরা”

  1. চাঁদাবাজদলের উচিত শিক্ষা দেওয়া দরকার, যাতে কখনো আর এরকম না করে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর :
© All rights reserved © 2020 The Daily Dipanchal
Customized By BlogTheme