1. dipanchalbarguna@gmail.com : dipanchalAd :
দৈনিক দ্বীপাঞ্চলের সম্পাদক মোশাররফ হোসেন আমার আদর্শ - dipanchalnews
শুক্রবার, ০১ জুলাই ২০২২, ০১:০৭ পূর্বাহ্ন
শীর্ষ সংবাদ :
দক্ষিণাঞ্চলের স্বপ্নের দুয়ার খুলছে আজ হাইকোর্টে দুই মামলায় খালেদা জিয়ার স্থায়ী জামিন টাঙ্গাইলে নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপিত- বরগুনায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হজ্জ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় হাত-পা বেঁধে ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টা, বৃদ্ধ গ্রেপ্তার টাংগাইলে জাতীয় শিশু কিশোর ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান- বরগুনায় ইসলামি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দুঃস্থদের মাঝে সরকারি যাকাত ফান্ডের চেক বিতরণ জেলায় শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ নির্বাচিত মাওঃ মুহাম্মদ ইউনুস আলী বরগুনায় কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত “প্রত্যাবর্তনের চার দশক,শেখ হাসিনার বদলে দেওয়া বাংলাদেশের,অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা”

দৈনিক দ্বীপাঞ্চলের সম্পাদক মোশাররফ হোসেন আমার আদর্শ

  • আপলোডের সময় : বুধবার, ১ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৫০৪ বার নিউজটি দেখা হয়েছে

মীর জামাল, বার্তা সম্পাদক,দৈনিক দ্বীপাঞ্চল  :

দৈনিক দ্বীপাঞ্চল পত্রিকার সম্পাদক মোঃ মোশাররফ হোসেন আমার জীবন চলার পথে এক অনন্য আদর্শ। বিশেষ করে সাংবাদিকতার অঙ্গনে যার কাছ থেকে সাংবাদিকতার শিক্ষা, লেখনী, স্নেহ, ভালোবাসা, নীতিগত শিক্ষা সবই পেয়েছি এবং শিখেছি। তার ক্ষুরধার লেখনী অনুস্মরনে আমার লেখনি ও দুরদর্শিতা দেখে তিনি নিজেই তার পত্রিকায় স্টাফ রিপোর্টার থেকে আমাকে বার্তা-সম্পাদক পদ মর্যাদা দিয়েছেন। যার ফলশ্র“তিতে আমি মীর জামাল গত ৬ বছর আপোষহীন ভাবে দৈনিক দ্বীপাঞ্চলের বার্তা-সম্পাদক পদে থেকে সততার সাথে দ্বায়ীত্ব পালন করে আসছি। যাইহোক প্রথমে সম্পাদকের কথা বলে শুরু করে শেষ করবো পত্রিকার আলোচনা দিয়ে। পাশাপশি আমার কিছু কথা না থাকলে আপনারা গ্রাহক মনের খোড়াক থেকে পিছু থাকবেন। তাই লেখাটি সম্পূর্ণ শেষ করবেন।

আজ ১ জানুয়ারী ২০২০ সাল। দৈনিক দ্বীপাঞ্চল পত্রিকা প্রকাশের ২৭ বছর পূর্ণ হলো। আজ থেকে ঠিক ২৭ বছর পূর্বে, ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারী সকালে দৈনিক দ্বীপাঞ্চল আত্মপ্রকাশ করেছিল। ইতিহাসের পাতায় কালের সাক্ষীহয়ে একটি ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পত্রিকাটির শুভ উদ্বোধন করেছিলেন বরগুনার সর্বজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষাবিদ মরহুম গাজী আলী আহম্মদ স্যার। যাত্রা শুরুর দিন থেকে দ্বীপাঞ্চল পত্রিকাটি কীভাবে, কত সুন্দর করে পাঠকের হাতে তুলে দেয়া যায় সে চিন্তাই তিনি সবসময় করে আসছেন। আজ পর্যন্ত সার্বক্ষনিক সে ভাবনাই করেছন এবং তাঁর জীবনের শেষ দিনটি পর্যন্ত গভীর ভালোবাসা নিয়ে, আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাবেন সম্পাদক মোঃ মোশাররফ হোসেন। এক দিনের জন্য হলেও তাকে ভুলে থাকা আমার পক্ষে অসম্ভব। যদিও তিনি বর্তমানে শারীরিক অসুস্থতার কারনে যৌবনদ্বীপ্ত পদচারনা অনেকটা কম। তার পরেও পত্রিকার সকল বিষয়ে গভীর রাত জেগে তাকেই নজর রাখতে হয়। আমি সম্পাদকের জন্য আপনাদের কাছে দোয়া চাচ্ছি। তিনি যেনো সুস্থ থেকে আমরন দ্বীপাঞ্চলের মাধ্যমে দেশ,জাতি তথা মানব কল্যানে কাজ করে যেতে পারেন।

সম্পাদকের স্ত্রী পারভীন আক্তার নীলু দৈনিক দ্বীপাঞ্চল পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক পদে রয়েছেন। তাদের ছেলে মোঃ জেহাদুল ইসলাম মণি, মেয়ে ফাতিমা জান্নাত জুই এবং ছোট মেয়ে জেরিন তাসনিম মিম। ছেলে মণি ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে আইসিটিতে মাস্টার্স (১ম শ্রেণি) শেষ করেছেন। মীম বরগুনা সরকারী কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। এদের মধ্যে ফাতিমা জান্নাত জুঁই সাংবাদিকতায় পড়াশুনা করে অনার্স মাষ্টার্স শেষ করেছেন। আগামী দিনে দৈনিক দ্বীপাঞ্চলের সার্বিক দ্বায়ীত্ব তিনিই পালন করবেন বলে সম্পাদক ইতি মধ্যেই মতামত ব্যক্ত করেছেন। মোঃ মোশাররফ হোসেন ১৯৭৭ সালের কোন এক সময়ে কলম হাতে সাংবাদিকতা শুরু করেন। এরপর সাংবাদিতকার ৪২ বছরের জীবনে তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। নিজ প্রতিভায় সামনে এগিয়ে জাতীয় দৈনিক ইনকিলাবের জন্মলগ্ন থেকে বরগুনা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ শুরু করে এখন স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে দ্বায়ীত্ব পালন করছেন। দৈনিক দ্বীপাঞ্চল পত্রিকাটি তিনি তার আরেকটি সন্তানের মতো করেই লালন-পালন করে আসছেন। এছাড়াও তিনি নিজের অর্থায়নে মানুষের সাহায্যের জন্য গঠন করেছেন “দ্বীপাঞ্চল উন্নয়ন ফাউন্ডেশন” নামের একটি অলাভ জনক এনজিও। যেটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জয়েন্ট ষ্টক কোম্পানীজ কর্তৃক রেজিষ্ট্রেশনকৃত। “দ্বীপাঞ্চল উন্নয়ন ফাউন্ডেশন”এর মাধ্যমে অসহায় মানুষের পাশে দাড়ান সম্পাদক।

দৈনিক দ্বীপাঞ্চলের প্রধান কার্যালয়,ঢাকা অফিসসহ স্থায়ী ও সাময়ীক মিলিয়ে সারাদেশে প্রায় অর্ধশতাধীক সংবাদ কর্মী কাজ করছেন। এছাড়াও নতুন-পুরোনো রাজনীতিক, সামাজিক,সাংস্কৃতিক ও সংবাদকর্মী বন্ধুদের অকুণ্ঠ সমর্থন পাচ্ছি আমরা। একইভাবে স্মরণ করি আমাদের এজেন্ট ও হকার বন্ধুদের কথাও। যাঁদের ছাড়া কাগজ চলতে পারে না। তাছাড়া শুভাকাঙ্খী রয়েছেন অনেকে, যারা দ্বীপাঞ্চলের হাত ধরে আজ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করছেন।

এবার আমার কথায় যাচ্ছি, আমি মোঃ জামাল মীর, (মীর জামাল)। বর্তমানে দৈনিক দ্বীপাঞ্চলের বার্তা-সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছি। পাশাপাশি দেশের শীর্ষতম অনলাইন বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম এবং দৈনিক বর্তমান পত্রিকার বরগুনা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। যা দ্বীপাঞ্চল সম্পাদকের অবদান। বরগুনা সদর উপজেলার ২নং গৌরিচন্না ইউনিয়নের ধুপতি গ্রামের মীর বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেছি। বাবার নাম মোঃ জালাল মীর। মায়ের নাম মোসাঃ রুনু বেগম। বড় বোন জেমী এবং ছোট ভাই কামাল মীর (দুই ভাই এবং এক বোন) নিয়ে আমাদের সংসার। পারিবারিক অবস্থা নিয়ে বেশ সুখেই কাটছে দিনকাল।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে অনেকটা স্বাবলম্বী হয়েছে। দেশের অভ্যন্তরীণ অবকাঠামোগত অনেক উন্নয়ন হয়েছে। মাথাপিছু আয় ও গড় আয়ু বেড়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক খাতে ও নারীর ক্ষমতায়নে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। আমরা সারা বিশ্বে সম্মান-স্বীকৃতি পাচ্ছি। ক্রিকেটের বিজয়-সাফল্য আমাদের অনুপ্রাণিত করছে। কিশোর-তরুণ ছেলেমেয়েদের ফুটবলে বড় বড় অর্জন পাচ্ছি। আমাদের রয়েছে বিশাল বড় এক সম্ভাবনাময় তরুণ সমাজ। নানা ক্ষেত্রে দেশ বিদেশে এ তরুণেরা প্রতিভা আর সম্ভাবনার স্বাক্ষর রেখে চলেছে। এরাই আমাদের প্রকৃত ভবিষ্যৎ। তরুণদের যেন পথবিভ্রাট না ঘটে, তারা যেন আলোকিত ভবিষ্যতে পৌঁছাতে পারে, সে ব্যাপারে আমাদের দায়িত্ব-কর্তব্য রয়েছে। সে জন্য আমাদের সব ভাবনা, সব কার্যক্রম তাদের নিয়ে, তাদের জন্য।

দৈনিক দ্বীপাঞ্চলের পক্ষ থেকে আমরা সব সময় বলি, এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। এ যাত্রা অব্যাহত থাকবে, সেই প্রত্যাশা আমরা করি। আমাদের সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের কর্তব্য এ অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। সে জন্যই আমরা বারবার বলি, আমরা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি, তাই আমরা মুক্তিযুদ্ধের রথে চরে জয় দেখতে চাই।

আমরা জানি, বাংলাদেশের সামনে যেমন অনেক সম্ভাবনা, একই সঙ্গে রয়েছে কিছু সমস্যাও। সে জন্য সামনের দশকটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উন্নত দেশ গড়তে বাংলাদেশের জন্য জরুরি প্রয়োজন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা এবং সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা। এসব বিষয়ে গোটা জাতি যাতে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারে, সে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ বিষয়ে সরকারের দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি। বিরোধী দলগুলোরও রয়েছে অনেক দায়িত্ব। দায়িত্ব রয়েছে দেশের নাগরিক সমাজের, বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশাজীবীরও। সেখানে অবশ্যই সংবাদপত্র ও প্রচারমাধ্যমকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হবে। তবে প্রকৃত গণতন্ত্র, সুশাসন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশের প্রশ্নে আমাদের বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে। আর, সংবাদপত্র বা প্রচারমাধ্যমকে চাপের মধ্যে চলতে হয়, ভয়ের মধ্যে থাকতে হয়। সংবাদপত্রের প্রধান আয়ের উৎস বিজ্ঞাপন নিয়ে বাধার সম্মুখীন হতে হয়। এসব সমস্যার মধ্য দিয়ে এখনো আমাদের পথ চলতে হচ্ছে। অথচ স্বাধীন সংবাদপত্র ও প্রচারমাধ্যম ছাড়া কখনোই প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। একটি সমাজে সংবাদপত্র কতটা স্বাধীনতা ভোগ করে, সেটিই সেই সমাজের গণতন্ত্রের প্রধান পরিমাপক।

সবশেষে আমরা আবার পরিষ্কার বলতে চাই, সব বাধাবিপত্তি বা চাপ সত্ত্বেও দ্বীপাঞ্চল তার মূল আদর্শ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, অসাম্প্রদায়িকতা ও আপসহীনতা অব্যাহত রাখবে। আমরা মুক্ত ও স্বাধীন সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠা করতে চাই। আর, আমরা সব সময় মনে করি, পাঠকের কাছেই আমাদের জবাবদিহিতা থাকতে হবে। দৈনিক দ্বীপাঞ্চলে আমরা দেশের মানুষের বিজয়ের গল্প, সরকারের সাফল্যগাঁথা, রাষ্ট্রের সফলতার কথা, মানুষের নতুন নতুন উদ্যোগের কথা, প্রতিষ্ঠানের সফলতার কথা অতীতেরমত প্রতিনিয়ত মানুষকে জানাতে চাই। এসবের মাধ্যমেই আমরা আরও এগিয়ে যেতে চাই ভালোর সাথে, আলোর পথে। ২৮ বছরে পদার্পণের এ শুভ মূহুর্তে দৈনিক দ্বীপাঞ্চল পরিবার, সাংবাদিক ও কর্মীদের পক্ষ থেকে সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা সম্পাদকের আদর্শে অনুপ্রাণীত হয়ে দৈনিক দ্বীপাঞ্চল মানুষের কল্যানে বেঁচে থাক অনাদিকাল পর্যন্ত। সবশেষে আমি সাংবাদিক হিসেবে দৈনিক দ্বীপাঞ্চল সম্পাদকের আদর্শানুসরনে এ পরিবারের একজন সদস্য হতে পেরে নিজেকে গৌড়াবান্নিত মনে করছি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুণ :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর :
© All rights reserved © 2020 The Daily Dipanchal
Customized By BlogTheme